নাফ নদী থেকে সাগর-উপকূল হয়ে আসছে ইয়াবা-আইস
রাডারে শনাক্ত হচ্ছে মাদকের চালান
তিন সংস্থার সমন্বিত নজরদারি জোরদারের তাগিদ
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত, অর্থনৈতিক সংকট ও পণ্যের ঘাটতিকে ঘিরে গড়ে ওঠা অবৈধ বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য নতুন ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চোরাচালানের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ঢুকছে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ বা ‘আইস’। একের পর এক অভিযানে লাখ লাখ ইয়াবা এবং কেজির হিসাবে আইস উদ্ধারের ঘটনায় স্পষ্ট হচ্ছে—মিয়ানমার থেকে মাদক প্রবেশের পথ এখন আর শুধু নাফ নদী কিংবা স্থলসীমান্তে সীমাবদ্ধ নেই। নদীপথের পাশাপাশি সাগর, উপকূলীয় ঘাট এবং দেশের অভ্যন্তরের পরিবহন নেটওয়ার্কও ব্যবহার করছে পাচারকারীরা।
নজরদারি বাড়লেই দ্রুত রুট বদলে ফেলছে তারা। কখনো নাফ নদী দিয়ে নৌকায়, কখনো সীমান্তের দুর্গম এলাকা দিয়ে হেঁটে, আবার কখনো মাছের ঝুড়ি, মাছভর্তি গাড়ি কিংবা সাধারণ পণ্যের আড়ালে মাদক বহনের চেষ্টা চলছে। এমনকি দেশের অভ্যন্তরে পৌঁছানোর পর কুরিয়ার পার্সেলের মাধ্যমেও ইয়াবা পাঠানোর ঘটনা ধরা পড়েছে। ফলে মাদক প্রতিরোধে শুধু সীমান্ত বা নদীকেন্দ্রিক নজরদারি যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সীমান্ত থেকে উপকূল, উপকূল থেকে জেলা শহর এবং সেখান থেকে রাজধানী পর্যন্ত পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলকে নজরদারির আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, দীর্ঘ দুই যুগ ধরে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা ও আইসের চোরাচালান হয়ে আসছে। সম্প্রতি ওই সীমান্তে ‘নারকো-কারেন্সি’ বা পণ্যের বিনিময়ে মাদক কেনাবেচার একটি ভয়ংকর তথ্যও সামনে এসেছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় মাদক প্রবেশ প্রতিরোধে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, ইয়াবার কোনো চালান আটকের সময় সাধারণত এর বাহকদের গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু এর পেছনের প্রভাবশালী চক্র বা মাফিয়ারা অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। তাই শুধু বাহক নয়, মাদক পাচারচক্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
ড. তৌহিদুল হক আরও বলেন, মিয়ানমার সীমান্তে মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা উচিত। তিন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে মাদক চোরাচালানের প্রভাবশালী মহল অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।
নাফ নদীই একমাত্র রুট নয়
কক্সবাজারের টেকনাফের সর্বশেষ পয়েন্ট শাহপরীর দ্বীপ থেকে নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্ত চিহ্নিত হয়েছে। টেকনাফ থানা এলাকার প্রায় ৬৩ কিলোমিটার সীমান্ত নাফ নদী দ্বারা চিহ্নিত। গত দুই দশক ধরে দীর্ঘ এই নাফ নদীর প্রায় পুরো অংশজুড়েই মাদক, বিশেষ করে ইয়াবা, অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম মাদক পাচারের রুট হিসেবেও নাফ নদীর এ অঞ্চল পরিচিত।
তবে টেকনাফের নাফ নদীর সীমান্ত শেষ হলেই শুরু হয় উখিয়ার সীমান্ত এলাকা। উখিয়ার বিপরীতে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রয়েছে ঘন জঙ্গল, পাহাড় ও দুর্গম এলাকা। এসব দুর্গম পথ দিয়েও পায়ে হেঁটে মাদক পাচার করে থাকে চোরাকারবারিরা। যেসব সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিওপি নেই কিংবা টহল দিতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে, সেসব এলাকাকে নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে তারা।
বিজিবি সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে তিন বছর আগে চারটি রাডার স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে মিয়ানমার জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে যুদ্ধ-সংঘাত শুরুর পর টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তের ওপার থেকে গুলি ও মর্টার শেল এসে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় রাডার স্থাপন করে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
রাডারের মাধ্যমে সীমান্তে সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে টেকনাফের জালিয়া এলাকায় নাফ নদীর কাছাকাছি সন্দেহজনক গতিবিধি বিজিবির রাডারে ধরা পড়ে। পরে তাপ শনাক্তকারী প্রযুক্তি বা থার্মাল ডিটেকশনের মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করা একটি চোরাকারবারি দলকে শনাক্ত করে বিজিবি।
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা ইয়াবার চালান ফেলে নাফ নদী পেরিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ওই চালান থেকে প্রায় ৯ লাখ ইয়াবা জব্দ করে বিজিবি।
সীমান্তের এ ঘটনা মাদক পাচারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এনেছে। প্রথমত, বড় চালান একসঙ্গে সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে আসার সক্ষমতা চোরাকারবারিদের রয়েছে। দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি শুরু হলে তারা চালান ফেলে দ্রুত সীমান্তের ওপারে পালিয়ে যাওয়ার কৌশলও ব্যবহার করছে।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, চোরাকারবারিরা মাদক চোরাচালানে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলেও ইয়াবাসহ যেকোনো ধরনের মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি নিয়মিত ও বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, একই সঙ্গে ড্রোন, সিসিটিভি ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, থার্মাল ইমেজার, বাইনোকুলারসহ আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এসব সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সাগর ও উপকূলেও মাদক পাচারের রুট
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক আনার ক্ষেত্রে নাফ নদী দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ রুট। তবে সাম্প্রতিক অভিযানের তথ্য বলছে, পাচারকারীরা এখন নদীপথের পাশাপাশি সাগর ও উপকূলীয় পথেও সক্রিয় হচ্ছে।
চলতি বছরের ৬ এপ্রিল শাহপরীর দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদীতে একটি সন্দেহজনক কাঠের নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ দুজনকে আটক করে কোস্ট গার্ড।
এর আগে ৪ মার্চ টেকনাফের জিরো পয়েন্ট, সি-বিচ ঘাট ও মেরিন ড্রাইভ এলাকায় পৃথক অভিযানে ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড। একটি চালান পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং অপর ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়।
অর্থাৎ নাফ নদী থেকে স্থলভাগে উঠে এলেও মাদক পাচার থেমে থাকছে না। উপকূলীয় নৌপথও এখন পাচারকারীদের বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
কৌশল বদলে পাচার
মাদক পাচারকারীদের কৌশলও দ্রুত বদলে যাচ্ছে। শুধু নৌকা কিংবা ব্যাগে করে ইয়াবা আনার পরিবর্তে এখন মাছের ঝুড়ি, মাছবাহী গাড়ি, ব্যক্তিগত যানবাহন, সাধারণ পণ্য এমনকি কুরিয়ার পার্সেলও ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত জুনে উখিয়া সীমান্তে এক জেলের কাছ থেকে ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবি। বিজিবি জানায়, ইয়াবাগুলো মাছের ঝুড়ি ও মাছ ধরার সরঞ্জামের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
জুলাইয়ে টেকনাফের একটি কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের গুদামে ‘ব্লুটুথ স্পিকার’ হিসেবে ঘোষণা করা একটি পার্সেলের ভেতর থেকে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবি ও পুলিশ। ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ সরিয়ে সেখানে ইয়াবার প্যাকেট লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পার্সেলটি টেকনাফ থেকে নারায়ণগঞ্জে পাঠানোর কথা ছিল।
অর্থাৎ সীমান্ত অতিক্রমের পরও মাদক পাচারের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ কারণে সীমান্ত পাহারা এখন শুধু সীমান্তের বেড়া, নদী কিংবা চেকপোস্টে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। সীমান্ত থেকে উপকূল, উপকূল থেকে জেলা শহর এবং সেখান থেকে রাজধানী পর্যন্ত পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলকে নজরদারির আওতায় আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
তিন সংস্থার সমন্বিত ‘মাদক মানচিত্র’
বর্তমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় মাদক প্রবেশে বাধা তৈরি করতে বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বিত মাদক-তথ্যভান্ডার তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। এর সঙ্গে পুলিশ, আনসারসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাকেও যুক্ত করা যেতে পারে।
এই তথ্যভান্ডারে কোন এলাকায় কতটি চালান ধরা পড়েছে, কোন ধরনের নৌযান বা যানবাহন ব্যবহার হয়েছে, কোন ব্যক্তির নাম বারবার এসেছে, কোন মোবাইল নম্বর বা যোগাযোগের সূত্র পাওয়া গেছে এবং চালানের সম্ভাব্য গন্তব্য কোথায় ছিল—এসব তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।
তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করা হলে পুরো নেটওয়ার্কের একটি ‘মাদক মানচিত্র’ তৈরি করা সম্ভব হবে। তখন শুধু চালান আসার পর অভিযান পরিচালনা নয়, চালান আসার আগেই সম্ভাব্য পথ, সময় এবং সহযোগীদের শনাক্ত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
তবে মিয়ানমারের কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী, ব্যবসায়ী বা চোরাচালান নেটওয়ার্ক এই বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি জড়িত—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। আরাকান আর্মি বা অন্য কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও প্রতিটি চালান সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে—এমন প্রকাশ্য ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক হবে না। গোয়েন্দা তথ্য, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ, আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগের তথ্য এবং সীমান্তের দুই পাশের চলাচল বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।
নতুন আইনে বাড়ছে ক্ষমতা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আওতায় এখন দেশের সীমান্ত এলাকা এবং স্থল, বিমান ও সমুদ্রবন্দরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিজস্ব উদ্যোগে অভিযান, তল্লাশি, জব্দ, গ্রেপ্তার ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
১৬ জুলাই গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়ে আইনটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত আইনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র বহন, অস্ত্রাগার স্থাপন, ডগ স্কোয়াড পরিচালনা এবং সাইবার অপরাধ দমন শাখা গঠনের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। ফলে মাদক পাচার প্রতিরোধে সংস্থাটির ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. হাসান মারুফ বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনার আইন গত ১৬ জুলাই জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বর্তমানে সংশোধিত আইনের বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, অভিযান পরিচালনার জন্য অধিদপ্তরকে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে সেই আগ্নেয়াস্ত্র দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান। বিধিমালা প্রণয়ন ও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে এলে অন্যান্য বাহিনীর সহযোগিতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সীমান্ত এলাকায়, বিশেষ করে মিয়ানমার সীমান্তে মাদক প্রবেশ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বিত অভিযান বাড়ানো গেলে মাদক পাচারকারীদের রুট পরিবর্তনের কৌশল মোকাবিলা করা সহজ হবে। একই সঙ্গে শুধু চালান বহনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার নয়, এর পেছনের অর্থদাতা, সংগঠক, পরিবহনকারী এবং গন্তব্যস্থলের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করাই হতে পারে মাদক পাচার বন্ধে কার্যকর কৌশল।



