—দুদক সচিব
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে চলমান অনুসন্ধান কোনো চাপ, পক্ষপাতিত্ব বা নির্দিষ্ট কাউকে টার্গেট করে করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সৈয়দুর রহমান খান। তিনি বলেছেন, দুদক স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইনানুগভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
গতকাল সোমবার দুদকের এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদক সচিব বলেন, নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই অভিযোগগুলো নিয়ে কাজ করছে কমিশন। সম্প্রতি সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার এবং কোটি কোটি টাকার পদায়ন-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এ অনুসন্ধান সরকারের ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে বলে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেছেন।
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব বলেন, ‘আমরা এ রকম কোনো টার্গেট করে কাজ করছি না। কমিশনের কোনো অনুসন্ধানে ব্যক্তিগত টার্গেট বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। যেহেতু বিষয়টি পেন্ডিং ছিল, পেন্ডিং তালিকা অনুযায়ী আমরা এগুলো উপস্থাপন করছি।’
তিনি বলেন, সামনে আপনারা লক্ষ্য করবেন, কোনো পক্ষপাতিত্ব করে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে না।
দুদক সচিব আরও বলেন, ‘দুদক একটি স্বায়ত্তশাসিত ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো মামলা পরিচালনা করছি না। আমরা ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে আইনানুগভাবে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আমাদের কমিশন পাঁচ মাস ছিল না। অনেকগুলো বিষয় আমাদের পেন্ডিং রয়েছে। এগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। পাইপলাইনে আরও আছে। আপনারা দেখবেন, সময়মতো সবগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপিত হবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের অন্য উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ থাকলে দুদক সেগুলো খতিয়ে দেখছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি বলতে পারছি না। যদি অভিযোগ এসে থাকে, নিশ্চয়ই আইনের আওতায় তিনিও আসবেন।’
দুদক সচিব আরও বলেন, ‘অন্যন্য উপদেষ্টা, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আমরা সেগুলো আইনানুগভাবে দেখছি।’



