নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি ইলেকট্রিক কার (ই-কার) সংযোজন করা হয়েছে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শেডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে দুটি ই-কারের চাবি হস্তান্তর করেন।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবান্ধব ই-কার সংযোজন টেকসই উন্নয়ন ও আধুনিক ক্যাম্পাস ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ই-কার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নতুন সংযোজন হিসেবে শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করবে।
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সহজে যাতায়াত করতে পারবেন। এতে তাদের সময় ও শ্রম উভয়ই সাশ্রয় হবে।
উপাচার্য আরও জানান, খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ই-কার দুটি চালু করা হবে। এটি ক্যাম্পাসে কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান, নোবিপ্রবি পরিবহন পুলের প্রশাসক ড. মো. মফিজুর রহমান, গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়েদুল হক, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবাবিল গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ই-কার দুটি থেকে কোনো ধরনের কার্বন নিঃসরণ হয় না। বর্তমানে এগুলো বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।



